ছুঁয়ে দিল ব্রহ্মতালুদেশ
কৃষ্ণসার হরিণের দলে ঢুকে ঢেকে এল কেবলের লাইন
প্রশ্নচিহ্ন জঙ্গলের সিনুসুইডাল কার্ভে মাটি মাথা পেল
বৃত্ত-জোড়া মহাব্যোমে নিজদেহ --- ঝুলন্ত নিথর
খবরের শেষপ্যাঁচে দুঃস্থ লোহা পেটাচ্ছি দু'হাতে
মাথার ভেতর দিয়ে শিকারীর খালি তূণ বেয়ে
ছুটে এল বহুরূপী আগাছা জঙ্গল
চোখের ভেতর থেকে কাল-হীন হাতির শাবক
শুঁড়ে করে আছড়ে ফেলল মিস-কমিউনিকেশন
ছোট ছেলে জন্ম নিল নিখুঁত এলিপ্সে
শরীরের রোঁয়া কেঁপে ডাক দিল কৃষ্ণসার হরিণের দল
বোমারু বিমান এসে ছুঁয়ে দিল ব্রহ্মতালুদেশ
ছেঁড়া ছেঁড়া আন্তর্জালে আলো দিল নতুন ভাস্কর
শুধু ওঠা আর নামা উচ্চ আর নীচ
এক এবং শূন্য শুধু আর কিছু নেই কোনো দিকে
এমন বিদগ্ধ ঋতু-মনে হল যেন
ফ্রিকোয়েন্সি মড্যুলেশনের দিনে, অজস্র মাথার মধ্যে
অ্যানালগের মতন প্রাচীন বিস্মিত স্বরে-
তোমাকেই প্রথম দেখলাম!
অরণ্যমতি
আমাদের লালফুল কবে থেকে নীল হয়ে গেছে
ঘরে এসি লাগাবে বলেই তবে পড়োশীনি হিংস্র রাতে কাছে এসেছিল
কামড়ে ধরে শিশ্নশীর্ষ জিজ্ঞেছিল হলুদ মৌড়ীর নাম
বলতে ভাল্লাগেনা তাই নইলে কবেই বলে দিতাম
তার স্তনের রঙের পর্দা কিনে এনেছি ফুটপাথ থেকে
যেখানে কুকুরছানা চেটে খায় উদ্বাস্তু শিশুর মুখের জল/ঘাম
আমরা ভাবি "একটা আন্দোলন ঘটে গেল বুঝি এইবেলা"
চুরমার করে দিই নিজের মাতাল মোড়ক, পুণ্যতিথি শব্দসম্ভার!
জোছনায় মিথুনরত চাঁদ ঢলে ঢলে পড়ে মেঘের গায়
দিশি মদের ঠেকে আমার বীর্য শুকোয়-কাঠ হয়, ধুলো পড়ে, রঙ বদলায়
আমাদের বুনোফুল বসন্তবাহার হয়েছে কবেই
শুধু এমন বেহায়া বলব বলেই ভাঙছি নিজেকে
দূর থেকে ভেসে আসে কাঠ কাটার শব্দ
শেয়াল ডাকে ফাঁকা উঠোনে
সুসজ্জিত পর্দা ছিঁড়ে উড়ে যায় বোশেখ মাসের ঘেমো হাওয়ায়
