আমি-তুমি
আমি এক অবিনশ্বর গদ্য!
তুমি, সুকুমার রায়ের জীবন্ত পদ্য
আমাদের মৃত্যু নেই আর!
তাই যতদিন বাংলা কবিতা বেঁচে থাকবে
আমাদের অস্তিত্বও টিকে থাকবে চিরকাল বাংলা ভাষায়...!
অপ্রকাশিত গদ্য
সদ্য জন্মাল যে শিশুটি, ওর নাম কবিতা। চেয়ে দেখো চোখে-মুখে কেমন এক উজ্জ্বল ছন্দভাব আছে ওর। গঙ্গার গভীরতা ঠোঁটে ঝর্ণাধারার মতই বেরিয়ে আসতে চাইছে! তুমি হাত বাড়ালেই ওর ভার বইতে পারবে না এক্ষুনি। তার আগে তোমার সে-কৌশল ও উপস্থিতি রপ্ত করতে হবে। আমিও ঠিক তোমারই মত ভুক্তভোগী মানুষ এক। চাইলেও ওকে দু-হাতে তুলে নিতে পারছি না বুকের খুব কাছে। ভেঙে পড়ি নিজেই। দু'পা ভারী হয়ে আসে কাদার ভেতর। কান্না ধেয়ে আসতে চায় দুরন্ত গতিতে। যখন বাস্তবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করি যে, আমি আসলে আজও অবিবাহিত কাপুরুষ একজন! আমার কোনও কন্যা সন্তান নেই। এ জগতে আমি পুরোপুরি একা। ঠিক আজকের কবিতার মতই নিঃসঙ্গ....
চিত্রনাট্য
এই পর্যন্ত ঢের সিনেমা দেখেছি আমি
থিয়েটার পর্দার বাইরেও!
তাই বলে সিনেমার পোকা নই।
আসলে সিনেমা আর মানুষের মধ্যে ওতপ্রোত যেমন
পৃথিবী-চাঁদের মত এক প্রদক্ষীণ কেন্দ্রবিন্দু আছে
যে যত বেশি ঘোরে তার তত বেশি সঞ্চয়, তত আলো!
আমি এক দীর্ঘদিনের থিয়েটার কর্মী। প্রয়োজনে
মৃত সৈনিকেরও চরিত্র করে এসেছি
কিন্তু মৃত মানুষদের কখনও আর জীবিত হতে দেখিনি।
