আজন্ম তৃষ্ণার ঋণে
ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন আছড়ে পড়ে
প্রজাপতি পাখনায় আলোর নাচন
আমাকে নিয়ে যায় ফুলের ঘরে
তারপর আলো যতদূর ফলবতী হয়
আমি আজন্ম তৃষ্ণার ঋণে
গর্ভকেশরের মায়া বেয়ে নেমে যাই
শেকড়ের মাটিচিহ্নে
গাছ, মাটি আর আমি
আমাদের যৌথ শ্রাবণ গচ্ছিত রাখি
পাথরের খাঁজে
শ্রাবণ আগুন বোনে ভালো
আমি ঘুমিয়ে পড়ি স্বপ্নের ঘরে...
কার্তিকের দেশে
কত দিন বৃষ্টি হয়নি
নদীটিও চলে গেছে দূরে
অশরীরী ধানজন্ম থেকে গর্ভ খসে যায়
চাঁদের নিবিড় ক্ষতে
মুখ ডুবিয়ে পড়ে থাকে মৃত তারার আলো
আর সময় দুমড়ে যায়
জ্যোৎস্নার বিলোল পরিরা
সেঁদিয়ে যায় রান্নাশালের অন্ধকারে
আগুন বাড়ন্ত!
ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে মা...
কার্তিকের দেশে নবান্ন আসে না আর!