অতলান্তিক ছুঁয়ে
ছাই হয়ে ডুবছি অশ্রুর তলানিতে নিজে রোজ,
মিথ্যে হয়ে যাই মনস্কামে, আপাত থাকি সহজ।
অক্ষরে ছায়া ঘন হয়। শরীরের শূন্য বিকেলে
আত্মগ্লানির মতো নিভে জোনাকির পৃষ্ঠায় জ্বেলে
নিয়ে ধারালো আলো ভেঙে আঁধারে হই সহনীয়।
আজো বলতে পারিনি এই বুকে তুমি কত প্রিয়!
সেই অসুখের কুপি অক্ষরে অলীক ছোঁয়া চায়-
কুন্ডলিত প্রহরের শেষে ভাজকের মৌনতায়
আমি পড়ে থাকি ঘোলাটে খুব, একা একা তদ্বির।
হৃদয়ের বৈভবে ধাবিত হয় স্বরচিত তির-
সমূহ ফোঁড় আগলে রাখি ক্ষরণের বেদনায় ডুবে,
অনুচ্চারিত কথা খালি বুক পুড়িয়ে যায় উবে।
ডুব-রসে
আমাকে ডুবিয়ে দাও আজ পোড়া নাভিশ্বাস দিয়ে,
তোমার অতলে রাখা যাবতীয় যত জাদু টানে-
কী লাভ শুধু জিইয়ে রেখে সেই নামমাত্র বিয়ে?
প্রকৃত প্রেম চিরদিন যৌন ডুবুরি হতে জানে।
স্খলনের সাহসে ভিজে যায় মাটি, চৌকাঠে দোষ-
নেশাতুর ভাঁড়ের ডগা ছুঁয়ে আসে কামজ ঠোঁট।
বোঝাপড়া ঠুনকো হলে মুখ লুকোয় খরগোশ,
আর পিছনে ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারির মহাজোট।
আজ মজে যাওয়া আঙুলে আনো লীলায়িত খোদাই,
বিনিময় ঠেলে প্লবতা জেগে উঠুক মুখোমুখি-
ময়ূরের কণ্ঠায় নীল খুবলে যতবার চাই,
প্রতিফলনের মেঘ ভেঙে হ'ব সে আঠালো সুখী।
আজ তেমন কারিগরি স্পৃহা, পিছনে রাখা শীত।
এসো হে আজ ডুব-রসে জ্বালাই উড়ানের ভিত।
