ডুব
নুড়ির বুক ছুঁয়ে নামে বালকের অচেনা স্নান
শীত তার নীল আঙুলে জলকে ধরে রাখে
বুনোহাঁস উড়ছে ভাঙা মেঘের ভেতর দিয়ে
শহর দূরে দাঁড়িয়ে শুনে যাচ্ছে নদীর নিঃশ্বাস
আলো আর ছায়া মিলে ক্ষণিকের ঘর বাঁধে
সব শব্দ থেমে গেলে, জলেই থেকে যায় ডুব
ব্যাধ
অকারণ নিশানায় দাঁড়িয়ে থাকে আত্মজন—
ব্যাধ কি তবে বাইরের কেউ, নাকি চেনা ছায়া?
জনপদের ভেতরেই তীর বানানো হয় নিঃশব্দে,
বানভাসি ঘরগুলো ভাসে, কিন্তু দোষ কার?
ক্ষত আর দায় সময়ের নামে গোপনে ভাগ করে
শেষে সব প্রশ্ন ছড়িয়ে দিই নিজের দিকেই।
