ভ্রমণের স্মৃতি
খোলসে শায়িত দিনকাল,
আমাকে ছেড়ে গেছ বহুদিন।
অক্ষরে খাবি টেনে কাঙাল-
হৃদয় ভ্রমণে রাখে ঋণ।
যেন সব বরফের অভিমান
স্থির চলকায় আয়ু ভেঙে জল।
যত চেয়েছি তত শুনশান-
শূন্য আজ সীমানার সম্বল।
যাতনা ছিল, ছিল মেনে নেওয়া
বাতাসে প্রতিবেশী পরাগ।
আজ স্মৃতিতে প্রলেপ দেওয়া-
কাতরায় স্বপ্নের বিভাগ।
পায়ের ছাপে আজো চোখ রাখি
দূরে নিথর পাহাড়ের শির।
ভ্রমণ শেষে গৃহে ফেরা পাখি
আমি যেন তার স্মৃতি মন্দির।
ভ্রমণসম
দূরে দূরে রাখা মুকুলিত শোভা
সব রূপ বসে পাতার বৈঠকে।
বলিনি তুমি কত মনোলোভা!
সুখ হয়ে ওড়ে সীমানার বকে।
রোদের আয়ু ছুঁয়ে বাতাসেরা
আজ এসেছে পলাশের গায়ে।
কত ভাবি তোমার কাছে ফেরা
যেভাবে বিড়াল ঘোরে পায়ে।
ডালপালা ছুঁয়ে গেছে যে আলো
তার মতো সুখী হই ক্লোরোফিলে।
আমি ভাবাতুর, যা নয় ভালো-
টোপ খেয়ে যায় সময়ের চিলে।
তবু যা কিছু থাকে অবশেষে
পলকে সাজানো প্রিয় ছায়া।
তোমার সবটুকু ভালোবেসে
নিত্য ভ্রমণসম রাখি মায়া।
