জোছনায়
রাত নামে
ছবিরা কথা কয়
কথার শরীর অন্ধকারে হাঁটে
পায়ে পায়ে জোছনা ফোটে
জোছনা কুড়ানি চাঁদ কুঁজো হয়ে আসে
জোছনা আলো চোখ গর্ভে ধারণ করি
কান্না জন্মালে স্নান করে
সাবালক হয়ে ওঠি
বহুরূপী রঙের কানামাছি খেলে
মেঘ ছোঁয়
পাতা ছোঁয়
বৃষ্টি ছুঁয়ে ঘুমিয়ে পড়ে
বাতাস জন্মায়
আকাশের চোখেমুখে ছলচাতুরী চিহ্ন।
সূর্য এসে বারবার পাথর চমকায়
রোদের মিছিল
বৃষ্টির মিছিল
রক্তের মিছিলে এসে আমরা দাঁড়াই
তখন কান্নাগুলো অন্ধকার গলি পথে নেমে আসে রাজপথে,
আমাদের সম্মুখভাগের জোছনায়।।
হরিলুটের দৃশ্য
বর্বরতা কুয়াশা মুড়ি দিয়ে ঘুমাচ্ছে
শিশির থেকে ধসে পড়া মায়া বেরিয়ে আসছে
হলুদ বৃক্ষ
দ্রোহ তখন সূর্যের কপালে টিপ হয়ে লেগে আছে
এবং আকাশের কান্নায় বিবস্ত্র হয়ে গেছে জনপদ
দেখা যাচ্ছে জল শুকানো খানাখন্দের ব্যাথা
বাড়ি
ভাঙা জোছনা
আঁচলে নিরিহ দৃশ্য
আয়না থেকে বেরিয়ে আসছে আলো একটু উষ্ণতার জন্যে
স্বপ্ন দূরপ্রান্ত
আকাশ মালি
এবং তার সমুদ্রে কাগজের নৌকা ভাসছে
সুতোয় কাটা সূর্য উঁকি দিচ্ছে
কাঁচভাঙা ক্ষুধা
গল্প বলতে বলতে কারা যেনো নিরুদ্দেশ হয়ে গেলো।
