জড়িবুটি
যে তোমার ভাষা জানে না
সে ভেঙ্গে যায় একটু একটু করে
নীরবতার পায়ের কাছে বসে থাকি
উড়ন্ত শব্দের মৃত্যু কামনা করে
আমিতো শূন্য হয়ে গেছি কবেই
প্রেম আর অপ্রেমের সুতো ছিঁড়ে
যখন তুমি হাতে দিয়ছিলে
মৌনতার জড়িবুটি
যেভাবে রক্তিম ধুলো ঢাকা পথ ধরে
নিজেদের মোকামে ফিরে যায়
বৌদ্ধ ভিক্ষুর দল
তেমনি করে শব্দগুলো নিঃশব্দে
ছবি হয়ে যায় একদিন।
পথ
যেন আমারই শরীরে বিছানো
ইটের গাঁথুনি থেকে এইমাত্র উড়াল দিল
একটা শালিক,
তার পায়ের ছাপে পিঠের ভাঁজ খুলে
যেদিকে সেজদা দিয়ে দাঁড়াই
আমাকে পাখি হতে বলে
পড়শিবেলায় তাড়া খাওয়া মাছ,
সাপুড়ে দুলালকানাই।
আমি বেফিকর দিলের কাছে হাত পাতি
একটা জলঢোড়ার সমস্ত মগ্নতায়
নত হয়ে বাতাসে ডুব দিই–
রূহ-এর বন্ধক রেখে আসমানে
সিধ কাঁটা মাটির-শরীরে বাজে ‘আল-বাছীর’
কে জানে?
মৃত্যু আর জীবনের কাসিদা লিখে যে মিহির
তার সামান্য ইশারায়
পুলসেরাত হতে পারে
একটা দাগকাটা শামুকের নামলিপি।