দোঁহা

তাপস গুপ্তের কবিতা

 


সন্ধের সবুজ গল্প
 

মুখস্থ নামতার মত প্রতিদিন সন্ধে এসে যা বলে যায় সেগুলো এখন অসুখের কথা বলেই মনে হয়


মনে হয় শব্দটাই দাঁড়িয়ে আছে অসুখের মাত্রায় 


পাঁচিলের ওপর দাঁড়িয়ে যে যুবক অথবা কিশোর গোলাপের পাপড়ি ছিঁড়ে 

উড়িয়ে দিয়েছিল তার নামে,  

পরে সে ভেবেছিল এটাই লাইভে নিলে বেশ হতো।

পাঁচিলের ওপর দাঁড়িয়ে যে কিশোরী যুবতী ছেড়েছিল সূর্যমুখী 

অষ্টমীর চাঁদ তার শত্রু ছিল। 

পায়ের আঙুলে তার প্রেমিক শ্যাওলা সবুজ হারিয়ে লাল হয়ে উঠেছিল।


 
প্রবাহ
 

তবুও থাক এই ঘর আর ঘরের অন্ধকার


যেভাবেই বলা হোক না কেন 

ঠিক বোঝানো যাবে না


অনন্য মেঘের পতিত জল কিভাবে কুয়াশার শিশির বিন্দু ধরে থাকে ঘাসের কামার্ত আঘ্রাণে

মনে হয় জানা নেই এসব দিগন্তে বিলুপ্ত চিত্রকরের


আকাশ নিচু হয়ে আসে 

তাদের কথা শুনে জিদ ভঙ্গ গ্রানাইট সম্বলিত পাহাড় হয়ে জলের  তরঙ্গ  সান্ত্বনায় ঘুরে ঘুরে ভিজিয়ে নেয় তার পা 

উচ্ছ্বাসে ভাসে তার উন্মুখ গেরিলা বুক


এই তরঙ্গ কলহাস ধরা থাকে প্রবাহের উপলে উপলে পুষ্পিত মৃত্তিকার পাললিক ফুসফুসে।








একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

মোট পৃষ্ঠাদর্শন