ডুব
সর্বান্তকরণে ডুব দিয়ে দেখি 'সমুজ্জ্বল শিখা'৷
এই টুকু অপাকৃত, প্রাণায়ামে, নামে কি প্রণামে
দেবীসূক্ত— ক্রমশ অধ্যাত্মধ্যানে জপমালা স্থির৷
আঙুলের চঞ্চলতা, চক্রাকার, ঘূর্ণনের ফল—
কামক্রোধ থেকে ত্রাণ— সৃজনের বিবিধ ফসল
প্রকাশ্যে, গোপনে— ভাষ্যে বিভাষিত, অপর আত্মায়
ডুবের মাহাত্ম্য দেখি, অবর্ণন, তরঙ্গ-উপায়...
সম্মতিসুচরিতাসু, মনে-মনে, কত বার লিখি৷
অনুমতি বিনা, বীণা, বাজে না সে সুমধুর সুরে...
অতলে হারাবে, স্বতঃ, অথচ সে মান্যবর 'ডুব',
বাধা পাবে অছিলায়— এই তার অছিয়তনামা!
শিখার অনিন্দ্য রূপে আধারিত আঁধারের মুখ
দেখি সে তন্ময়লীলা— দীপংকর-শ্রীজ্ঞান-অতীশ...
সম্মতিসুচরিতাসু
'বি' পূর্বক বসালেই দোনামনা ভাবের উদয়৷
যা চলে আসছে, অর্থাৎ চলিত৷ আপত্তি টেকে না৷
দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে এগিয়ে চলেছে অনুভব৷
কোথায় সেবক? সেবা? ভ্রমণের ইতিউতি সার!
দূর থেকে করজোড়, বড়ো জোর— ভগ্নাংশ সমান৷
জোড়াসাঁকো আছে কি আগের মতো? কল্পনার পটে
অবগাহনের মতো সেই প্রাণের আরাম তুমি৷
ভূমিকায় 'বিচলিত' — সাধুবাক্যে রাখিনি স্বাক্ষর৷
চলিত সনের কাছে একাসনে বসে থাকি, শিখা৷
দুই ভ্রূ-র মধ্যে ডুব৷ কুবোপাখি৷ আত্মগত ধ্বনি৷
অতঃপর, অপেক্ষার পরে সম্মতিসুচরিতাসু...
